এসএওসিএলে কোটি কোটি টাকা তছরুপ, উদ্ধারে উদাসীন কর্তৃপক্ষ

fuel01-20221017181540.webp

নিজস্ব প্রতিবেদক….
# বিধিবহির্ভূতভাবে গাড়ির ঋণ, ফেরত দেওয়ার নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি
# হদিস নেই অগ্রিম দেওয়া এক কোটি ২০ লাখ টাকার
# ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ টাকার ৬২৪টি বিলে নেই অনুমোদন
# যাদের নামে চেক ইস্যু হয়েছে তারাও জানেন না এসব চেক কারা নিয়েছেন

সরকারি অংশীদারি প্রতিষ্ঠান এসএওসিএলের (স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড) কোটি কোটি টাকা তছরুপের অভিযোগ উঠেছে। এসএওসিএল লুব ব্লেন্ডিং প্রতিষ্ঠান হলেও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অনুমোদনে লুব অয়েলের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি বোতলজাত এলপিজি, বিটুমিন বিপণন করে আসছে। তবে ২০২০ সালের জুনে প্রতিষ্ঠানটিতে কেনা হয় ৩০ লাখ ৩৮ হাজার টাকার ক্রোকারিজ। নিজেদের ব্যবসার সঙ্গেও মেলে না পণ্যটি। এমনকি ওই টাকা আগেই অগ্রিম নেওয়া হয়। পরে ক্রোকারিজের বিল পরিশোধ দেখিয়ে তা সমন্বয় করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির ওই মাসের ২১০ জেভি-০৯ ভাউচারে ক্রোকারিজ কেনার কোনো প্রমাণাদিও সংযুক্ত করা হয়নি। এমনকি এত টাকা দিয়ে কেনা ক্রোকারিজ কোন কাজে ব্যবহার করা হয়েছে তারও কোনো হদিস নেই! কেউ জানে না কোথায় গেছে এসব ক্রোকারিজ?

একইভাবে ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির উপ-ব্যবস্থাপক মো. আবু রেজা মঈনুল হকের নামে ইস্যু করা এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (বর্তমানে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) ৯২৮০৮২ নং চেকের মাধ্যমে ৮ লাখ ৭৬ হাজার ৬৯০ টাকা অগ্রিম তোলা হয়। কিন্তু ভাউচার পর্যবেক্ষণে কারও স্বাক্ষর নেই। এমনকি মো. আবু রেজা মঈনুল হক সেসময় চট্টগ্রামে ছিলেনই না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আবু রেজা মঈনুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি ২০১০ সাল থেকে ঢাকা অফিসে পোস্টিং। এ ধরনের কোনো অগ্রিমের বিষয়ে জানি না। আমি কোনো অগ্রিম নেইনি। বিষয়টি হেড অফিস বলতে পারবে।’
এর আগে একই বছরের ৮ সেপ্টেম্বর জুনিয়র অফিসার মো. জুয়েলের (বর্তমানে চাকরিচ্যুত) নামে ইস্যু করা একই ব্যাংকের ০৯২৮০৭৭ নং চেকের মাধ্যমে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৩০০ টাকা অগ্রিম তোলা হয়। একই বছরের ১০ অক্টোবর জুনিয়র অফিসার আবদুল্লাহ আল মামুনের (বর্তমানে চাকরিচ্যুত) নামে ইস্যু করা ৯২৮০৯৬ নং চেকে ৪ লাখ ৯১ হাজার ৩৩০ টাকা, ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর বিক্রয় কর্মকর্তা সুলতানা আকতার চৌধুরীর নামে ইস্যু করা এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের ০০০০৩৫৩ নং চেকের মাধ্যমে ৬ লাখ ১২ হাজার ৬০০ টাকা, ২০২০ সালের ১ জুন জুনিয়র অফিসার (সেলস) মো. শাহাদাত হোসেনের নামে ইস্যু করা একই ব্যাংকের ০০০০৪৪৯ নং চেকের মাধ্যমে ৫ লাখ ১০ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। এর আগে একই বছরের ১৪ মে হিসাব কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম ভূঁইয়ার নামে ইস্যু করা সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএবি) ব্যাংক লিমিটেডের ১৩৫৪৬৭৭ নং চেকে ৪ লাখ ৯৭ হাজার টাকা অগ্রিম তোলা হয়। অথচ এসব চেকের কোনোটাতেই ছিল না অগ্রিম গ্রহণকারীর স্বাক্ষর। যাদের নামে চেক ইস্যু হয়েছে, তারাও জানেন না এসব চেক কারা নিয়েছেন, কারা তুলেছেন টাকা!

এ বিষয়ে জুনিয়র অফিসার (সেলস) মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আমি মার্কেটিংয়ে কাজ করি। আমার কাজ অর্ডার নিয়ে আমাদের পণ্য ক্রেতার কাছে সরবরাহ করে কোম্পানির ব্যাংক হিসাবে পণ্যের বিলের টাকা জমা করা। আমরা কোনো নগদ টাকা লেনদেন করি না। এসব অগ্রিম টাকা কে নিয়েছেন, তা হেড অফিস বলতে পারবে।’

এসএওসিএলের ২০১৯-২০ অর্থবছরের খসড়া হিসাব যাচাই-বাচাই সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অগ্রিম ইস্যুর নামে তহবিল তছরুপের এসব তথ্য পাওয়া গেছে, যা পরে কোম্পানির ৪১২তম বোর্ডসভায় উত্থাপিত হয়। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ওই বোর্ডসভার কার্যবিবরণীতে এই সাতটি ভাউচারের কথা উল্লেখ করা হয়। যেগুলো স্যাম্পল হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সবমিলিয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ২২ হাজার ৯২১ টাকার অগ্রিম তালিকা পর্যবেক্ষণ করা হয় বলে কার্যবিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে।

৪১২তম বোর্ডসভার কার্যবিবরণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রণীত খসড়া হিসাবে অনুমোদন ছাড়া ৬২৪টি বিল রয়েছে। যার বিপরীতে মোট ১৪ কোটি ৮৮ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ টাকা ৮২ পয়সা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব থেকে উত্তোলন করে এসব বিলের টাকা পরিশোধ করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু ‘লুব অয়েল চেঞ্জিং ফি’ নামে ১২ বিলের বিপরীতে ৫২ লাখ ১৫ হাজার ৮৩৭ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সবগুলো বিলের চেক ইস্যু হয়েছে প্রতিষ্ঠানের সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রকৌশলী) মো. আবদুল্লাহ সিফাতের নামে। এর মধ্যে ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই ৫টি, ২টি ২৪ জুলাই এবং ৫টি ২৩ জুলাই ইস্যু করা হয়। এ বিষয়ে জানতে আবদুল্লাহ সিফাতের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে খুদেবার্তা দিলেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব চেক ইস্যু করেছেন কোম্পানির হিসাব বিভাগ প্রধানের দায়িত্বে থাকা উপ-ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হক তুষার। অন্যের নামে চেক ইস্যু করে প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন করা বাদেও নিজের নামেই বিধিবহির্ভূতভাবে গাড়ির লোন নিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি মাহমুদুল হক তুষারকে চিঠিও পাঠায়। ২০২১ সালের ৫ মে কোম্পানির তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক মোরশেদ হোসাইন আজাদ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ২১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা কোম্পানির হিসাবে ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। এর আগেও তাকে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়।

ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘গাড়ি ঋণদান স্কিমের আওতায় একজন উপ-ব্যবস্থাপক পদের কর্মকর্তা এ ধরনের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা পান না। আপনি যে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে এ সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন, এ বিষয়ে বোর্ডের কোনো অনুমোদন লিখিত জবাবে উল্লেখ নেই। এ অবস্থায় প্রাধিকারবহির্ভূত উত্তোলন করা ২১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ২৫ মে’র মধ্যে আবশ্যিকভাবে পরিশোধের জন্য অনুরোধ করা হলো। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওই টাকা কোম্পানির হিসাবে জমা না দিলে চাকরি নীতিমালা ও প্রচলিত আইনে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ওই ঋণের টাকা ফেরত দেননি মাহমুদুল হক তুষার। এসব টাকা আদায়ে তার বিরুদ্ধে আর কোনো ব্যবস্থাও নেয়নি এসএওসিএল পর্ষদ। তবে সর্বশেষ বোর্ডসভায় মাহমুদুল হক তুষারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানটির আইন উপদেষ্টা মেজবাহ উদ্দিনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এসব বিষয়ে জানতে মাহমুদুল হক তুষারকে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে খুদেবার্তা দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

পণ্য বিক্রির ৫৮ লাখ টাকা বেহাত

এসএওসিএলের সাভার সেলস ডিপো থেকে ২০১৮ সালের মাঝামাঝি আলমগীর হোসেনকে বদলি করা হয়। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট এওসিএল’র (এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড) ম্যানেজার ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, আলমগীর হোসেন সাভার ডিপোতে থাকা অবস্থায় ২১ গ্রাহকের বিপরীতে বিভিন্ন অংকে ৫৭ লাখ ৫৯ হাজার ৮১০ টাকা বকেয়া রয়েছে। একই তারিখে মো. ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে লেখা আরেক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আলমগীর হোসেন সাভার গোডাউনের ইনচার্জ থাকাকালীন অনেক বছর ধরে ৫৭ লাখ ৫৯ হাজার ৮১০ টাকা অনাদায়ী রয়েছে। অনাদায়ী টাকা আদায়ের জন্য নির্দিষ্ট গ্রাহকের কাছে যাওয়ার পর তারা (দেনাদার) পণ্যের টাকা আলমগীর হোসেনের কাছে দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু ওই পণ্যের টাকা কোম্পানির হিসাবে জমা হয়নি। এ বিষয়ে কোম্পানির কালেকশন ডিপার্টমেন্ট এবং রিকোভারি টিম লিখিত ও মৌখিকভাবে আলমগীর হোসেনকে অনেকবার অবগত করেন। আরও অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা যায়, ওই পণ্য বিক্রির টাকায় তিনি সাভারে একটি জমি কিনেছেন এবং সেখানে টিনশেড বাড়ি তৈরি করেছেন।’ওই চিঠিতে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে আসা অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

এর আগে ২০১৮ সালের ২৯ মে কোম্পানির মহাব্যবস্থাপককে দেওয়া তৎকালীন ম্যাক প্রেসিডেন্ট মঈন উদ্দিন আহম্মেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আলমগীর হোসেন সাভারে পদায়ন থাকাকালীন গ্রাহকের কাছে বিপুল পাওনা রয়েছে। কিন্তু এসব পাওনা টাকার বিপরীতে গ্রাহকের সঙ্গে হিসাবে গরমিল রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ রইলো।’

এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে কোম্পানির ম্যাক (ম্যানেজমেন্ট অ্যাডভাইজরি কমিটি) প্রেসিডেন্ট মিশু মিনহাজকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির প্রতিবেদনে ১১ জনের নাম আসে, যাদের সাসপেন্ড তালিকায় যুক্ত করা হয়। তালিকার ১০ নম্বরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (হিসাব) মোহাম্মদ আলমগীরের নাম রয়েছে।

কমিটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘নিয়োগের পর থেকে কোম্পানিতে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষবাষ্প তৈরি হয়। জিএম মোহাম্মদ শাহেদের মৃত্যুর পর যেসব অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, সেসব অভিযোগে এদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অডিট অধিদপ্তর থেকে তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট গুরুতর আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। সাবেক ম্যাক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করেছে। সাবেক প্রেসিডেন্টকে (ম্যাক) সহায়তাকারী হিসেবে এসব কর্মকর্তার নাম এজাহারে উল্লেখ আছে। দুর্নীতি দমন কমিশন এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অডিট অধিদপ্তর কর্তৃক উত্থাপিত আপত্তিসমূহ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এদের চলমান মামলা ও ভবিষ্যতে মামলা দায়েরের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হলে সে পর্যন্ত খোরাকি ভাতা দিয়ে এদের এসএওসিএলে রাখা আবশ্যক।’

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, মোহাম্মদ আলমগীর জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত। তিনি নাশকতার মামলায় ২০১৪ সালে জেল খেটেছেন। লুব বিক্রির টাকা তছরুপ করেছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ শোকজ করার পরও লুব বিক্রির টাকা বুঝিয়ে দেননি বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সাভার ডিপোতে পণ্য (লুব) বিক্রির ৫৭ লাখ ৫৯ হাজার ৮১০ টাকা ফেরত দেননি কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা (হিসাব) হিসেবে কর্মরত আলমগীর হোসেন। তিনি বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

এ বিষয়ে আলমগীর হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আমার কাছে কোনো টাকা পাওনা নেই। সাভার ডিপোর বকেয়াগুলো গ্রাহকদের কাছেই রয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হলে এসএওসিএলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক এবং বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মণি লাল দাশ জাগো নিউজকে বলেন, মাহমুদুল হক তুষারের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকটি অডিট আপত্তি আছে। এসব আপত্তি নিষ্পত্তিও করা যাচ্ছে না। এজন্য মাহমুদুল হক তুষারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইন উপদেষ্টাকে নির্দেশনা দেওয়ার বিষয়ে সর্বশেষ বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। তবে আলমগীর হোসেনের বিষয়ে এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ আসেনি বলে জানান তিনি।

কোম্পানির বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বোর্ডসভায় আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন পর্ষদ পরিচালক ও বিপিসির পরিচালক (অর্থ) কাজী মোজাম্মেল হক।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

scroll to top