ক্রীড়া ডেস্ক : ঘোষণা দিয়েও ফ্র্যাঞ্চাইজি কাবাডি লিগের আয়োজন করতে পারেনি বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন। তাই ভারতের প্রো-কাবাডিই ছিল লাল-সবুজের খেলোয়াড়দের একমাত্র ভরসা। এবার সেই ক্ষেত্র বাড়ল। ১৭ জানুয়ারি কাঠমান্ডুতে শুরু হচ্ছে নেপাল কাবাডি লিগ। সেখানে খেলবেন বাংলাদেশের ছয় খেলোয়াড়। রোববার চারজন কাঠমান্ডুর উদ্দেশে উড়াল দিয়েছেন। বাকি দুজন যাবেন ১২ জানুয়ারি।
আগের কমিটি ঢাকায় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আয়োজনের ঘোষণা দিলেও তা বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ আয়োজনের স্বপ্ন আর বাস্তবে রূপ দিতে পারেননি কর্তারা। তাই ভারতের প্রো-কাবাডি লিগই ছিল বাংলাদেশের কাবাডি খেলোয়াড়দের সবেধন নীলমনি।
যদিও সেখানে খেলতে গিয়ে রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থাকতে হয় বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের। ভারতের পর ছয় দল নিয়ে নেপাল এবার আয়োজন করছে ফ্র্যাঞ্চাইজি কাবাডি লিগ। যেখানে খেলবেন বাংলাদেশের ছয় খেলোয়াড়।
অভিজ্ঞদের মতে, এশিয়ান গেমসে পদক পুনরুদ্ধার করতে হলে ভারত, পাকিস্তান ও ইরানের মতো দলের বিপক্ষে এবং ওইসব দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বাংলাদেশের খেলা উচিত। তাহলে কিছু শিখতে পারবে বাংলাদেশ।
ভারতের প্রো-কাবাডি লিগের নিলামে খেলোয়াড়রা নিজেদের পারিশ্রমিক সম্পর্কে জানলেও নেপালের লিগে নিজেদের পারিশ্রমিক সম্পর্কে কিছুই জানেন না তারা।
রোমান হোসেনের কথা, ‘আমরা কী পাব কিছুই জানি না। সব আমাদের ফেডারেশন ও সাধারণ সম্পাদক (এসএম নেওয়াজ সোহাগ) জানেন। নেপাল এটা প্রকাশ করেনি। হয়তো বিদেশিদের একটি অ্যামাউন্ট দেবে, যা আমাদের জানানো হয়নি।’ নেপালে খেলে বাংলাদেশের কি লাভ হবে? এমন প্রশ্নের উত্তরে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তুহিন তরফদার বলেন, ‘খুব একটা খারাপ হবে না। ওরা অনেকেই নতুন, সেখানে খেলে কিছু শিখতে পারবে। ম্যাচ খেললে তাদের মানসিক শক্তিও বাড়বে।’